Support service
×

অধ্যায় ১৬: ফরেক্স এবং স্টক মার্কেট: এগুলোর পার্থক্য কি?

অর্থ বাজারে ট্রেডিং সম্পর্কে বলা যায় যে, বিভিন্ন ধরনের বাজারে অংশগ্রহণকারীগণ ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে। অর্থ বাজারগুলোতে ইক্যুইটি বাজার, ক্রিপ্টো বাজার, ফরেক্স এবং স্বর্ণের বাজার সহ বিভিন্ন পণ্যের বাজার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আপনি একটি বাজারকে বাইরে রেখে অপরটি বিবেচনা করতে পারবেন না কারণ বিশ্ব অর্থনীতিতে সকল কার্যক্রম পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। স্টক মার্কেটের পরিস্থিতি ফরেক্সের মুদ্রার হারকে প্রভাবিত করতে পারে যা স্বর্ণের বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি বিপরীত ঘটনাও ঘটতে পারে। এই অধ্যায়ে আমরা অংশগ্রহণকারীদের (ব্রোকার, ডিলার, ট্রেডার) জন্য সেগুলোর সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি বের করার প্রয়াসে ফরেক্স এবং স্টক মার্কেট সম্পর্কে জানব।

আগের অধ্যায়ে, আমরা ইতিমধ্যেই কারেন্সি এক্সচেঞ্জ মার্কেটের মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে শিখেছি। এবার স্টক মার্কেট নিয়ে কিছু ধারনা নেওয়া যাক। স্টক মার্কেটে স্টকের ইন্সট্রুমেন্ট বা সিকিউরিটিজের ট্রেড করা হয়। একটি সিকিউরিটি হচ্ছে সম্পদের মালিকানার কিছু প্রমাণ, যা এই মূলধনের মাধ্যমে মুনাফা করার উদ্দেশ্যে এটির নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে অন্যান্যদের প্রদান করা হয়। অন্য কথায়, স্টক মার্কেটের ইন্সট্রুমেন্ট হচ্ছে এমন একটি নথি যার আইনি শিরোনাম রয়েছে এবং চাহিদা মোতাবেক ব্যবহার বা কাজে লাগান যায়। শেয়ার, বন্ড, ডেরিভেটিভ (ওয়ারেন্ট, ফিউচার, অপশন), ডিপোজিটের সার্টিফিকেট, এবং নোট নিয়ে গ্রুপ অভ সিকিউরিটিজ গঠন করা হয়।

শেয়ার হচ্ছে অন্যতম প্রধান ধরনের সিকিউরিটিজ। এগুলোর মাধ্যমে যেকোন জয়েন্ট-স্টক কোম্পানির মুনাফার অংশে হোল্ডারের মালিকানাজনিত অধিকার নির্ধারণ করা হয়। একজন শেয়ারহোল্ডারের কাছে একটি কর্পোরেশনের মূলধনে নিজস্ব ইকুইটি স্টেক থাকে। এগুলো হচ্ছে ব্যক্তিগত শেয়ার, শেয়ার ওয়ারেন্ট, অর্ডিনারি এবং প্রেফার্ড শেয়ার। প্রথম দুই ধরনের শেয়ারের নাম দেখেই সে সম্পর্কে ধারনা করা যায়। অর্ডিনারি শেয়ার সাধারণত শেয়ারহোল্ডারদের সাধারণ আলোচনায় ভোটপ্রদানের অধিকার দিয়ে থাকে, এবং যেকোন কোম্পানির বার্ষিক আর্থিক ফলাফলের উপর ভিত্তি করে প্রদেয় লভ্যাংশ নির্ধারণ করা হয়। প্রেফার্ড শেয়ার হোল্ডারদেরকে নির্ধারিত লভ্যাংশ প্রদান করা হলেও ভোটপ্রদানের অধিকার দেয়া হয় না। সুতরাং দেখতেই পাচ্ছেন, শেয়ারের মাধ্যমে হোল্ডারগণ মূলধনে মালিকানা এবং ল্ভ্যাংশের আকারে মুনাফা অর্জন করতে পারেন।

বন্ড হচ্ছে ঋণ সংক্রান্ত সিকিউরিটি। এটি ইসুকারীকে (যিনি প্রচলিত বন্ড ইস্যু করে থাকেন) পূর্ববর্তী চুক্তি অনুযায়ী মুনাফা প্রদানের অঙ্গীকারের বদলে নগদ ঋণ গ্রহণের নিশ্চয়তা প্রদান করে। নিয়ম অনুযায়ী, বন্ড ইস্যু করার খরচের বা নমিনাল বন্ডের বার্ষিক সুদের হার থেকে মুনাফা অর্জিত হয়। এর পাশাপাশি সরকারী ও কর্পোরেট বন্ডও রয়েছে। সরকারী বন্ড অধিক নির্ভরযোগ্য হলেও কম লাভজনক। অপরদিকে, কর্পোরেট বন্ডগুলো বেশি লাভজনক কিন্তু কম নির্ভরযোগ্য। অন্যান্য ক্ষেত্রের মত, মুনাফা ও ঝুঁকি সরাসরি একে অপরের সাথে জড়িত - অধিক ঝুঁকিগ্রহণের মাধ্যমে হোল্ডার আরও বেশি মুনাফা করতে পারেন।

ফরেক্স মার্কেটের পাশাপাশি স্টক মার্কেটেরও নিজস্ব ডেরিভেটিভ রয়েছে, যেগুলো মূলত সিকিউরিটিজ হলেও এগুলো নির্দিষ্ট শর্তে বা অন্যান্য শেয়ারের বিনিময়ে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের অধিকার প্রদান করে।

ফিউচার হল চুক্তি গঠনের সময় নির্ধারিত মূল্যে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট সংখ্যক শেয়ার ক্রয়ের/ বিক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করা। ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়কেই অবশ্যই ফিউচারের শর্ত সম্পূর্ণরূপে পালন করতে হয়। শর্তাদি পালনের গ্যারান্টিস্বরূপ, উভয় পক্ষকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখতে হয়, যার পরিমাণ স্টক মার্কেট নির্ধারণ করে থাকে এবং যে এক্সচেঞ্জে লেনদেন সম্পন্ন করা হয় সেখানেই অর্থ জমা রাখা হয়।

অপশন ফিউচার কন্ট্র্যাক্টের মতই সিকিউরিটিজ, ব্যতিক্রম হচ্ছে এগুলো ক্রেতার উপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে না, বরং উল্লেখিত সংখ্যক সিকিউরিটি নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় বা বিক্রয়ের অধিকার প্রদান করে। মার্কিন অপশনগুলো ক্রয়ের তারিখ এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখের মধ্যবর্তী যেকোন সময়ে ব্যবহার করা যাবে। ইউরোপীয় অপশনগুলো শুধুমাত্র মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখে ব্যবহার করা যায়। অপশন বিক্রেতা চুক্তির শর্তাদি পূরণে বাধ্য, যেকারণে তাকে ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়। এছাড়া, বিক্রেতাকে অপশন ক্রেতা কর্তৃক প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে হয়। যদি কোন অপশন ক্রেতা চুক্তির শর্তাদি পূরণে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তিনি প্রিমিয়াম ফেরত পাবেন না। চুক্তির শর্তাদি পূরণের গ্যারান্টিস্বরূপ, ফিউচার সিকিউরিটি ডিপোজিটের মতই বিক্রেতাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখতে হয়। অর্থের পরিমাণ স্টক এক্সচেঞ্জই নির্ধারণ করে থাকে এবং সেখানেই অর্থ জমা রাখা হয়। এমনকি বিক্রেতা কর্তৃক প্রদেয় প্রিমিয়ামও অপশন ট্রেডিংয়ের বিষয়।

সিকিউরিটিজের মধ্যে সার্টিফিকেটও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সার্টিফিকেট হচ্ছে অর্থ জমা করার বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃক লিখিত প্রমাণপত্র। সার্টিফিকেট একজন জমাদানকারীর জমাকৃত অর্থ গ্রহণের অধিকার এবং চুক্তির মেয়াদকালের ভিত্তিতে জমাকৃত অর্থের উপর সঞ্চিত সুদ প্রদান করে। যদি জমাদানকারী কোন আইনি সত্তা হয় সেক্ষেত্রে অর্থ জমাদানের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। যদি জমাদানকারী কোন স্বতন্ত্র ব্যক্তি হয় তবে তাকে সঞ্চয়ের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

বিল হচ্ছে এক ধরনের ঋণ সংক্রান্ত ইন্সট্রুমেন্ট যা এর ক্রেতাকে বিলের মেয়াদের ভিত্তিতে নির্দেশিত পরিমাণ অর্থ প্রদানের চাহিদা পেশ করার অধিকার প্রদান করে। এর মধ্যে এক্সচেঞ্জের বিল ও প্রমিশনারি নোট রয়েছে। প্রমিশনারি নোট মূলত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি বহন করে, যা দেনাদার পরিশোধ করে এবং পাওনাদারকে প্রদান করা হয়। সাধারণত বিল অব এক্সচেঞ্জ পাওনাদার উত্থাপন করেন এবং দেনাদারকে অবশ্যই সেই পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রত্যাখান করতে হবে। গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে, দেনাদার এক্সচেঞ্জ বিলে উল্লেখিত পরিমাণ পরিশোধ করতে সম্মতি প্রদান করে থাকেন।

এক্সচেঞ্জ মার্কেটের আর্থিক ইন্সট্রুমেন্ট সম্পর্কে ধারনা নেওয়ার পরে, আসুন এখন আমরা এই ধরনের ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট  বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে নেই। স্টক মার্কেটে অবস্থানগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে রয়েছে যা ফরেক্সে নেই।। স্টক এক্সচেঞ্জ হচ্ছে লেনদেনের স্থান। স্টক এক্সচেঞ্জগুলো বিশ্বের প্রধান আর্থিক কেন্দ্রগুলিতে অবস্থিত; শেয়ারের ধরন এবং বাজারের মূল্য বিভিন্ন স্টক এক্সচেঞ্জের সাপেক্ষে পরিবর্তিত হতে পারে। তবে উন্নত ইন্টারনেট পরিষেবার ফলে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর আর্বিট্রেজ ট্রান্সজেকশন কমিয়ে আনার জন্য দ্রুত মূল্য বিনিময় করার সুযোগ রয়েছে। আরবিট্রেজ ট্রানজেকশন সাধারণত একটি স্টক এক্সচেঞ্জে ক্রয়কৃত শেয়ার আরেকটিতে আরও বেশি লাভজনক মূল্যে বিক্রি করার দায়িত্ব পালন করে। ফরেক্সে আরবিট্রেজ কার্যক্রম অসম্ভব, কারণ কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডের কেন্দ্রীভূত অবস্থান নেই।

স্টক মার্কেটে ক্রয়/বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য, ক্রেতা এবং বিক্রেতাকে একে অপরকে খুঁজে পাওয়া প্রয়োজন। এই কারণেই স্টক এক্সচেঞ্জে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশ সীমিত; ফরেক্সে ট্রেডিংয়ের পরিমাণের তুলনায় সেখানে শেয়ার কার্যক্রমের প্রবাহ অনেক কম। আপনি স্টক এক্সচেঞ্জে আপনার শেয়ারের ক্রেতা নাও পেতে পারেন, যার ফলে শেয়ারের মূল্য নাটকীয়ভাবে কমে গেলে আপনাকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লোকসান বহন করতে হতে পারে। ফরেক্সের তুলনায় স্টক মার্কেটে শুধুমাত্র স্টকের মূল্যের ওঠানামার সুযোগে ট্রেডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে আপনি মুনাফা অর্জন করতে পারেন। অন্যকথায়, বেশি দামে শেয়ার বিক্রি করতে হলে আপনাকে কম দামে শেয়ার ক্রয় করতে হবে। যে শেয়ার আপনার নয় তা আপনার পক্ষে বিক্রি করাও অসম্ভব, যদিও কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি এইসকল বিধিনিষেধ এড়াতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, কেউ রিভার্স রিপারচেজ ট্রানজেকশনের বাধ্যবাধকতা সহ সিকিউরিটিজ বাস্তবে না ক্রয় করে বিক্রি করার একটি কাল্পনিক চুক্তি করতে পারে - এই ধরনের পরিষেবা এক্সচেঞ্জের মধ্যস্থতাকারীগণ শেয়ার বাজারের স্বতন্ত্র ট্রেডারদের প্রদান করে থাকে।

স্টক মার্কেটে আপনি ফরেক্স মার্কেটের মত মার্জিন ট্রেডিংয়ের সুবিধা পাবেন না। আপনি শুধুমাত্র সহজলভ্য তহবিলের মাধ্যমেই শেয়ার ক্রয় করতে পারবেন। শেয়ার শুধুমাত্র ট্রেডিংয়ের উদ্দেশ্যে ক্রয় করা হয় না। উপরে ইতিমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, শেয়ারের মালিক কোম্পানির আংশিক মূলধনের উপর অধিকার লাভ করেন, সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের আলোচনা সভায় ভোটপ্রদানের অধিকার ও লভ্যাংশ গ্রহণের অধিকার অর্জন করেন। একারণে পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিক্রির উদ্দেশ্য ছাড়াও আপনি শেয়ার ক্রয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে, “ওপেনড এবং ক্লোজড পজিশন” এবং “লিভারেজ” এই ধরনের পরিভাষা সম্পূর্ণই অপ্রাসঙ্গিক।

ফরেক্স মার্কেটে দিনরাত ২৪ ঘন্টা কার্যক্রম চলমান থাকলেও স্টক মার্কেটে নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। স্টক মার্কেটের সময়সূচী অনুযায়ী কার্যক্রমের সময় নির্ধারণ করা হয় ( সাধারণত প্রত্যেক কর্মদিবসে ৮ ঘন্টা)। যদি আপনি অনলাইনে এমন একটি স্টক এক্সচেঞ্জে ট্রেড করছেন যে অঞ্চলের সময় ও আপনার অঞ্চলের সময় ভিন্ন, সেক্ষেত্রে ট্রেডিং করতে কিছু অসুবিধা হতে পারে। সময়সূচী অনুযায়ী আপনার অঞ্চলে রাতের বেলায় কিছু স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম চলমান থাকতে পারে এবং সেক্ষেত্রে আপনাকে নিদ্রাহীন রাত যাপন করতে হতে পারে। সুতরাং, ফরেক্সে আপনি দিনরাত ২৪ ঘন্টা ট্রেডিংয়ের সূযোগ পাবেন।    

সফল স্টক ট্রেডিংয়ের জন্য শুধুমাত্র বাজার বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয় যা ফরেক্সে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল। স্টকের গতিশীলতার পূর্বাভাসের জন্য প্রযুক্তিগত ও মৌলিক বিশ্লেষণ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে অর্থনীতির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলো যা কোম্পানির কার্যকলাপে প্রভাব ফেলে সেগুলোও স্টক ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক গুরত্বপূর্ণ। যেকোন শেয়ারের ক্রয়/বিক্রয়ের সঠিক সিধান্ত গ্রহণের জন্য কোম্পানির আর্থিক বিবৃতি, পরিবর্তন সংক্রান্ত তথ্য ও পণ্য সম্পর্কিত সরকারী আদেশের ব্যাপারে আপনার সচেতন থাকা আবশ্যক। বিদেশি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই ধরনের তথ্য শুধুমাত্র বিদেশি উৎসের মাধ্যমেই পাওয়া যেতে পারে যেমনঃ টেলিভিশন, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, আর্থিক সাময়িকী। এছাড়া, এই তথ্যগুলো বিদেশি ভাষায় প্রকাশিত হয় যা অনেকের জন্যই বোঝা বেশ কষ্টকর।  

গুরুত্বপূর্ণভাবে, ফরেক্সের আর্থিক ইন্সট্রুমেন্টের তুলনায় উপরে উল্লেখিত স্টক এক্সচেঞ্জের ইন্সট্রুমেন্টের নিজস্ব সুবিধা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, শেয়ারের লভ্যাংশ গ্রহণের অধিকার, কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণের সুযোগ, সরকারী সিকিউরিটিজ থেকে মুনাফা অর্জন, বন্ডের কুপন পেমেন্ট। এই সুবিধাগুলো স্টক এক্সচেঞ্জে ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে লোকসানের ঝুঁকি আংশিকভাবে হ্রাস করে।

এই অধ্যায়ে আমরা ফরেক্স মার্কেট এবং স্টক মার্কেটের তুলনামূলক আলোচনা করেছি। আমরা খুঁজে পেয়েছি যে এগুলোর নিজস্ব সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে যার কারণে এগুলো পৃথক উপায়ে বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। পরবর্তী অধ্যায়ে, আমরা এই বাজারগুলি কীভাবে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত তা বিশদভাবে দেখব এবং ব্যাখ্যা করব কীভাবে একটি মার্কেটের পূর্বাভাস অন্য একটিতে ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে।


আপনার মতামত প্রদান করুন

ধন্যবাদ! আপনি কি আরও কিছু যোগ করতে চান?

প্রাপ্ত উত্তর আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন (ঐচ্ছিক)

আপনার মতামত আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ.
আমাদের অনলাইন সমীক্ষা সম্পূর্ণ করার সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ৷

smile""